আইসিসি কর্তৃক দণ্ডিত হওয়ার পর সাকিব এর শাস্তির বিষয়ে যা বললেন রাহুল দ্রাবিড়

টুইটারে সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞয় “অবিশ্বাস্য! বললেন ,  রাহুল দ্রাবিড়

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।সে কি ফিক্সিং এ যুক্ত ছিলো? আমার মনে হয় তার একমাত্র দোষ হচ্ছে ফিক্সিং এর প্রস্তাব পেয়েও আইসিসি এবং আকসুকে না জানানোটা।এরজন্য দুই বছরের শাস্তি বেশি কঠোর হয়ে গেলো।আশা করি আইসিসি বিষয়টা আবার পুনরায় বিবেচনা করবে!      টুইটারে বলেছেন “রাহুল দ্রাবিড়”

সাকিবের প্রত্যাবর্তনের দিন ঠিক হয়েছে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর। তবে স্থগিত নিষেধাজ্ঞার কথা ভুললে চলবে না। আগামী এক বছর সাকিবের ওপর কড়া নজরদারি করা হবে। কিছু ব্যত্যয় হলেই নিষেধাজ্ঞা এক থেকে দুই বছর হয়ে যাবে।

দুই বছরের নিষেধাজ্ঞয় এর মাঝে এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক এ ঘটনায় নিজের দায় ও শাস্তি মেনে নিয়েছেন।

এই স্থগিত নিষেধাজ্ঞা যেন বাস্তবে রূপ না নেয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে সাকিবকে। উপায়টা আইসিসিই বলে দিয়েছে। আজ সংস্থাটির দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,

স্থগিত ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা যেন কার্যকর না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হলে সাকিব আল হাসান  নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।
১. নিষেধাজ্ঞার সময় আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের আইন বা কোনো দেশেরই দুর্নীতি বিরোধী আইন ভাঙা যাবে না।
২. আইসিসি যেভাবে বলে দেবে ঠিক সেভাবে বিভিন্ন দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষাকার্যক্রম ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় স্বেচ্ছায় ও পরিপূর্ণভাবে অংশ নিতে হবে।

এ দুটি শর্ত পূরণ হলেই এক বছরেই শেষ হবে সাকিবের নিষেধাজ্ঞা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *