রংপুর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ইঞ্জিনে আগুন

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন আজ বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া স্টেশনে দুর্ঘটনায় পড়েছে। এতে ইঞ্জিনসহ সামনের তিনটি বগিতে আগুন ধরে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুর্ঘটনার শিকার হলো রেলওয়ে।

এবার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে রংপুর এক্সপ্রেস। এতে চালকসহ অর্ধশত যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এতে ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ মোট নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। অন্তত তিনটি বগিতে আগুন লেগে পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে রেল লাইনের পাশে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে ট্রেনটির ইঞ্জিন। ট্রেনটির ইঞ্জিন ও কয়েকটি বগিতে আগুন লেগেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছেন।

দুর্ঘটনার ফলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি রংপুর হতে ঢাকা চলাচল করে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করছে।

  • তূর্ণা ও উদয়ন ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু হতাহত
  • বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?রেলমন্ত্রী বলছেন গাফিলতি, ?

দুর্ঘটনার কারণে উত্তরাঞ্চলের সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

সিরাজগঞ্জ পাবনা মহাসড়কও বন্ধ হয়ে যায়।

তবে ট্রেনের দুটো বগি সরিয়ে আপাতত সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানাচ্ছেন মি.আরিফুজ্জামান।

তিনি আরো জানান, সিগন্যাল ভুল হবার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে তার ধারণা।

ট্রেনটি ছিল একটি মিটারগেজ ট্রেন। কিন্তু ভুল সিগন্যালের কারণে এটি ব্রডগেজ লাইনে উঠে গেলে এই লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটে, বলেন মি.আরিফুজ্জামান।

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা হোসেন জানান, স্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনটির ইঞ্জিনও অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে।

তবে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ওই ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন হেলাল হেদায়েতুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

তিনি দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনটিরএকটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, হেলে পড়া একটি ট্রেন থেকে কালো ধোঁয়া উড়ছে।

বিবিসিকে তিনি বলেন, “হঠাৎই আমার অনুভব করি যে ট্রেনটি বামদিকে হেলতে শুরু করেছে। আমার দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে যাই।”

গত মঙ্গলবারই ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ১৬ জনের প্রানহানী ঘটে। আহত হয় বহু।

এই ঘটনার দুদিন না যেতেই আবারো একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটলো, উল্লাপাড়ার ইউএনও-র বর্ণনায় যে দুর্ঘটনায় অনেক প্রানহানী হতে পারতো কিন্তু তার ভাষায় ‘ভাগ্যক্রমে’ তা ঘটেনি।

যদিও ট্রেনকে বাংলাদেশের অন্যতম নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *